পোস্টগুলি

সৃজনশীল মেধাবিকাশের সাধারণ সভা-২০২০

ছবি
চুনারুঘাটে উপজেলার শিক্ষামূলক সংগঠন সৃজনশীল মেধাবিকাশের কমিটি গঠিত হয়েছে। আজ শুক্রবার(৩১ জানুয়ারী) মোঃ সাইফুর রাব্বির সভাপতিত্বে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকার সদস্য সচিব জনাব মিজানুর রহমান চৌধুরী শেফাজ,  বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব জামাল হুসেন লিটন, আজীবন সদস্য জনাব নুরুল ইসলাম তোতা, সমাজকর্মী জনাব হাফিজ তালুকদার, ডিসিপি হাই স্কুলের শিক্ষক জনাব এমদাদুল হক,  জনাব সাইফুর রহমান, জনাব বশির আহমেদ,  জনাব রাকিবুল আলম চৌধুরী সহ আরো অনেকেই।  সাঃ সম্পাদক তোফাজ্জল মিয়ার পরিচালনায় এতে অতিথিরা বক্তব্য রাখেন। দায়িত্বশীল রা ২০১৯ বর্ষের প্রতিবেদন উপস্থাপন করার পাশাপাশি আয় ব্যায় রিপোর্ট সহ অন্যান্য বিষয়গুলো উপস্থাপন করেন। সভা শেষে ডিসিপি হাই স্কুলের শিক্ষক বশির আহমদ সৃজনশীল মেধাবিকাশের ১৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষনা করেন।   এতে সাইফুর রাব্বি কে সভাপতি, মোঃ জামান শিপন সিনিয়র সহ সভাপতি, সদয় দেবনাথ সহ সভাপতি, তোফাজ্জল মিয়া সাঃ সম্পাদক,  আবুল কাশেম সহ সাঃ সম্পাদক,  সুলাইমান আহমেদ সাংগঠনিক সম্পাদক,...

বিজয়ের জন্য ত্যাগ হবে না ভোগ হবে?

রক্ত ও শ্রম না দিয়ে এই জাতি মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জন করে নি। বিজয়ের কাঙ্খিত স্বাদ পাওয়ার জন্য এই জাতিকে বহু ত্যাগ ও অশ্রু ঝড়াতে হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ এই  জাতির মুক্তির সম্মিলিত প্রয়াস। মুক্তিযুদ্ধের যে বিশ্লেষণগুলো আমাদের মাঝে হেঁটে বেড়ায় এই বিশ্লেষণ এর অধিকাংশই কোন না কোনভাবেই বা কোন দৃষ্টিকোণ হতে এককভাবে চেতনাগত স্থান দখল করে। মুক্তির লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য আজ পঞ্চাশ বছর পর পরিস্কার। বিজয়ের জন্য ত্যাগ না ভোগ? কথাটা অস্বাভাবিক সরল হলেও কথাটার গুরুত্ব এই সমাজ দিবে কি না এটা আদৌ জানা নাই। মুক্তির জন্য যে রক্ত এই জাতিকে দিতে হয়েছে তা বিরল হলেও আশ্চর্য জনক। আমরা আমাদের পরিচয় জানি স্বাধীন জাতি হিশেবে। এই স্বাধীন জাতি যখন ত্যাগের বিষয় ভুলে ভোগের বিষয়ে নামে তখন অস্বাভাবিক ফলাফল আসাটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। আমরা ত্যাগ করি না এখানে আমাদের স্বার্থ জড়িত নয়। এখানে আমরা পাবো না সরাসরি, কিন্তু চেতনাগত অবস্থানটা ভুলেই যাই।   

মুজিব তুমি - আসাদুজ্জামান আসাদ ; মেধাবিকাশ ব্লগ

ছবি
মুজিব তুমি অনুপ্রেরণা,                 মুজিব তুমি সাহস। মুজিব তুমি অন্যায় এর বিরুদ্ধে                  বীরত্বের যশ। মুজিব তুমি ৭০ এর নির্বাচনে                 সংখ্যাঘরিষ্টের আসন। মুজিব তুমি রক্তে আগুন জ্বলা                  ৭ই মার্চের ভাষণ। মুজিব তুমি ধ্বংশ করা                  অত্যাচারী শোষক। মুজিব তুমি বাংলেদেশের                   স্বাধীনতার ঘোষক। মুজিব তুমি বাংলেদেশের                   প্রথম রাষ্ট্রপতি।  মুজিব তুমার এ দেশেতে                   কমতি নেই খ্যাতি। মুজিব তুমি বাঙালির গর্ব,                পাকিস্তানিদের যম। তাদের অহংকারকে খর্ব করা    ...

১৬ ই ডিসেম্বর - আসাদুজ্জামান আসাদ ; কবিতা

ছবি
 বছর ঘুরে আবার এল বিজয় ডিসেম্বর। বিজয় গানে উঠলো মেতে মানুষ আপামর। এ দিনটি পাওয়ার জন্য করেছি যুদ্ধ নয় মাস, খালে-বিলে, নদীর জলে ভেসে গেছে হাজারো লাশ। এ দিনটি পাওয়ার জন্য হারিয়েছি লাখো ভাই।, হানাদার বাহিনীর আগুনে পুড়ে ঘর-বাড়ি হয়েছে ছাই। দু'লক্ষ মা-বোনের ইজ্জত নিয়েছিল কেড়ে। হানাদার বাহিনীর অমানবিকতা শিশুকেও দেয়নি ছেরে। এ দিনটি পাওয়ার জন্য লক্ষ প্রাণের ক্ষয়। এ দেশের বীর সেনারা ভয়কে করেছিল জয়। শহিদের রক্ত যায় নি বৃথা আমরাই হই জয়ী। রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে পরাজিত হয় হানাদার বাহিনী। তারা ৭১ এর ১৬ই ডিসেম্বর পরাজয় নেয় মেনে। অকতোভয়ী বাঙালি জাতিকে বিশ্ব নেয় চিনে। যারা জীবন দিয়ে এনে দিয়েছে এই মহান দিন। কোনদিনও হবেনা পূরণ তাদের এই ঋণ। রচনা:- ৩০ অক্টোবর ২০১০ সংযুক্তিগুলির জাযগা

আজ ফিদেলের মৃত্যু দিন - মেধাবিকাশ ব্লগ

ছবি
বিংশ শতাব্দির মহানায়ক, সমাজতন্ত্রী বিপ্লবী কিউবান রাজনৈতিক নেতা ফিদেল কাস্ত্রো। স্নায়ুযুদ্ধ এবং বিশ্বব্যাপী মার্কিন নেতৃত্বাধীন পুঁজিবাদের জয়জয়কারের মধ্যেও সমাজতান্ত্রিক কিউবাকে টিকিয়ে রেখে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের প্রবাদ পুরুষ হিসেবে পরিচিতি পান তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের খুব কাছে বসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনকে অস্বীকার করে ফিডেল ক্যাস্ট্রো যুগের পর যুগ টিকে আছেন। তিনি ৬৩০ বার যুক্তরাষ্ট্রের হামলা থেকে রক্ষা পেয়েছেন। তাঁকে বিষাক্ত ক্যাপসুল, সিগারেট এবং ডাইভিং স্যুট এ রাশায়নিক বিষ মিশিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয় কিন্তু সব চেষ্টাই ব্যর্থ হয়। কোন ষড়যন্ত্র ফিদেল ক্যাসট্রোকে মারতে বা দমাতে পারেনি। অবশেষে অসুস্থতার জন্য রাষ্ট্রের প্রধান পদ থেকে তিনি অবসর গ্রহন করেন। ১৯৬০ সালে একবার তার এক বান্ধবী যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা সি আই এর সংগে একটি চুক্তি করে এবং সেই অনুযায়ী তাকে বিষযুক্ত ক্যাপসুল খাওয়াতে রাজী হয়। তাঁর শোবার ঘর পর্যন্ত বিষযুক্ত ক্যাপসুল নিয়ে যেতে মহিলাটি সমর্থ হয়েছিল। কিন্তু ফিদেল ক্যাস্ট্রো ষড়যন্ত্র বুঝে ফেলেন। তিনি তাঁর বন্দুকটি বের করেন এবং নাটকীয়ভাবে বান্ধবীর হাতে তুলে দি...

মারিফতি প্যাঁচের সাংবাদিকতা - সাইফুর রাব্বি

ছবি
একদিকে বানান ভুল আরেকদিকে নানা ধরনের মারিফতি প্যাচের অন্তর্জাল। কলম কে যেমন সৎভাবে ব্যবহার করা যায় তেমনি কলম কে অবৈধ পন্থায় ব্যবহার করেও কিন্তু হলুদ সাংবাদিকতার প্রসার ঘটানো যায়। সাংবাদিকতার ইতিহাসে, যোশেফ পুলিৎজার কে হলুদ সাংবাদিকতার জনক বলা হয়। যদিও সাংবাদিকতায় "পুলিৎজার" একটি বিখ্যাত পুরস্কার। আমাদের গ্রামে গঞ্জে কিন্তু যারা গণমানুষ কে কেন্দ্র করে সংবাদ সংগ্রহ করেন এবং প্রকাশ করেন তাঁদের কে মফস্বল সাংবাদিক বলা হয়। মফস্বল সাংবাদিকরা যদিও প্রচুর পরিশ্রম করে থাকেন তারপরও তাঁদের নেই তেমন পারিশ্রমিক বা উপার্জন। আমাদের মফস্বল সাংবাদিকরা আসলেই নানা সমস্যায় জর্জরিত এটা আমি অস্বীকার করতে চাই না। সাংবাদিকতা মূলত সাহসী একটি কাজ। এই কাজে নতুন প্রজন্মের লেখকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশ গ্রহন নতুন মাত্রা এনে দিচ্ছে। আমাদের এই ব্যবস্থায় প্রজন্মের মধ্যে শুভ্র চিন্তার যে উদ্রেক ঘটছে এটা নিশ্চয়ই আমাদের জন্য শুভকর ইঙ্গিত বহন করে। আমাদের দেশের সাংবাদিকরা নানান ভাবে সংবাদ সংগ্রহ করে প্রকাশ করে থাকেন। কখনো প্রাণের ঝুঁকিও থাকে,  দূর্যোগ ময় পরিস্থিতি সামলে যেভাবে নিজের কলম চালিয়ে যাচ্ছেন এটা নিশ্...

আজ কবি সুফিয়া কামালের মৃত্যু দিন - মেধাবিকাশ ব্লগ

ছবি
আজ কবি বেগম সুফিয়া কামাল (জন্ম: ২০শে জুন ১৯১১ - মৃত্যু: ২০শে নভেম্বর, ১৯৯৯) এর মৃত্যু দিন। তিনি একাধারে কবি, লেখক, সংগঠক ও আধুনিক বাংলাদেশের নারী প্রগতি আন্দোলনের একজন পুরোধা ব্যক্তিত্ব।  সুফিয়া কামাল ১৯১১ সালের ২০ জুন বরিশালের শায়েস্তাবাদে মামার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা সৈয়দ আব্দুল বারী এবং মাতা সৈয়দা সাবেরা খাতুন। তাঁর বাবা কুমিল্লার বাসিন্দা ছিলেন। যে সময়ে সুফিয়া কামালের জন্ম তখন বাঙালি মুসলিম নারীদের গৃহবন্দী জীবন কাটাতে হত। সুফিয়া কামালের বয়স যখন সাত বছর তখন তাঁর বাবা সাধকদের অনুসরণে নিরুদ্দেশ যাত্রা করলে তাকে নিয়ে তার মা বাবার বাড়িতে চলে আসেন। তাঁর শৈশব কাটে নানার বাড়িতে। যে পরিবারে সুফিয়া কামাল জন্ম সেখানে নারীশিক্ষাকে প্রয়োজনীয় মনে করা হত না। তাঁর মাতৃকুল ছিল শায়েস্তাবাদের নবাব পরিবারের এবং সেই পরিবারের কথ্য ভাষা ছিল উর্দু। এই কারণে অন্দরমহলে মেয়েদের আরবি, ফারসি শিক্ষার ব্যবস্থা থাকলেও বাংলা শেখানোর কোন ব্যবস্থা ছিল না। তিনি বাংলা শেখেন মূলত তাঁর মায়ের কাছে। নানাবাড়িতে তাঁর বড় মামার একটি বিরাট গ্রন্থাগার ছিল। মায়ের উৎসাহ ও সহায়তায় ...