Srijanshil medhabikash is a social and Educational voluntary Organization in Chunarughat.
মেধাবিকাশ প্রতিযোগিতা ২০১৭ এর প্রশ্ন
লিঙ্ক পান
Facebook
X
Pinterest
ইমেল
অন্যান্য অ্যাপ
-
মেধাবিকাশ প্রতিযোগিতা ২০১৭ এর প্রশ্ন। স্পষ্টভাবে ছবিটি দেখতে ছবিতে ক্লিক করুন। ২০১৭ সালে ৬-৭-৮ তিনটি শ্রেণীর প্রতিযোগিতায় উপরের প্রশ্নটি কার্যকর হয়েছিলো। তাই প্রশ্নটি ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম শ্রেণীর মান উপযোগী।
বুয়েটে ডিবেটিং ক্লাবের কোন এক অনুষ্ঠানে একবার একটি প্রশ্ন উঠেছিল, ‘আমরা কেন সংগঠন করি’। এর উত্তরে এসেছিল অসংখ্য মতামতঃ সমাজের জন্য, মানুষের কাছে নিজের দায়বদ্ধতার জন্য, সাংস্কৃতিক পরিবেশ সৃষ্টির জন্য, ভাল কিছু করার জন্য ইত্যাদি ইত্যাদি।সেই সব মতামতের ভীরে যেটি আমার কাছে সবচাইতে যৌক্তিক মনে হয়েছিল তা হলো, ‘আমি সংগঠন করি আমার নিজের আনন্দের জন্য’। আপাতদৃষ্টিতে বিষয়টি কিছুটা স্বার্থপরতার মত মনে হচ্ছে তবে কিছুটা ব্যখ্যা দিলে উত্তরটি সেই রাজা আর তিন কন্যার গল্পের ‘আমাকে তোমরা কে কত ভালবাস’ এর উত্তরে রাজার ছোট কন্যার ‘তোমাকে আমি লবণের মত ভালবাসি’ এর মত হবে। আমরা একটি বিষয়ে মোটামুটি একমত যে যেকোন কিছু যদি আনন্দের সাথে সম্পন্ন করা যায় সেক্ষেত্রে কাজটি সহজতর হয় এবং তা নিয়ে নিজের কিছু সুখকর স্মৃতি জমা হয় তা পরবর্তীতে রোমন্থন করে আমরা নস্টালজক হই। এই যেমন ধরা যাক শিশুদের শিক্ষাদানের বিষয়টি। যদি কোন শিশু খেলাধূলার মাধ্যমে আনন্দ নিয়ে কোন কিছু শিখে আমার দৃঢ় বিশ্বাস তা প্রায়োগিক দিক দিয়ে অধিকতর কার্যকরী হয়। একই রকম ভাবে একটি সংগঠনে সংগঠক বা কর্মীরা যদি আনন্দ নিয়ে কাজ করে সেক্ষেত্রেই কেবলমাত...
১৯৮৪ সাল। তখন হুমায়ুন আজাদের বয়স মাত্র ৩৭ বছর। এই বয়সেই তাঁর সম্পাদিত গ্রন্থ ‘বাংলা ভাষা’-র প্রথম খণ্ড বেরিয়ে গেছে। একদিন তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে তাঁর নিজ রুমে বসে আছেন। এমন সময় রুমে প্রবেশ করেন বিশ্বভারতীর এক প্রবীণ অধ্যাপক, প্রাক্তন ডিন। অধ্যাপক সাহেব, হুমায়ুন আজাদের চেয়ে বয়সে কম করে হলেও চল্লিশ বছরের বড় হবেন। তিনি রুমে প্রবেশ করেই জিজ্ঞেস করলেন, ‘ডক্টর হুমায়ুন আজাদকে কোথায় পাবো বলতে পারেন?’ হুমায়ুন আজাদ বললেন, ‘আমিই হুমায়ুন আজাদ।’ বিশ্বভারতীর অধ্যাপক বলেন, ‘আমার বিশ্বাস হয় না। যিনি বাংলা ভাষা সম্পাদনা করেছেন তাঁর বয়স এতো কম হতে পারে না।’ হুমায়ুন আজাদ বলেন, ‘কতো হওয়া উচিত?’ অধ্যাপক বলেন, ‘অন্তত পঁচাত্তর, এর আগে এমন জ্ঞান হতে পারে না।’ এই বই যখন প্রকাশিত হলো তখন বাংলা সাহিত্যের আরেক দিকপাল অধ্যাপক সুনীলকুমার মুখোপাধ্যায় বইটি তাঁর মাথায় তুলে নিয়ে হুমায়ুন আজাদকে বলেছিলেন, ‘আপনাকে কেউ স্বীকৃতি দেবে না, তবে এ কাজের জন্য আমি ব্যক্তিগতভাবে আপনাকে অনারারি ডিলিট ডিগ্রি দিলাম।’ হুমায়ুন আজাদ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ মানুষের এমন প্রশংসা খুব বেশি পাননি। তাই এগুলো তাঁর বুকে ফুলের...
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন